চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে ১৪০ লিটার চোলাই মদ ও সিএনজিসহ গ্রেফতার ৩ মাদক কারবারি
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে ১৪০ লিটার চোলাই মদ ও একটি সিএনজিসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।![]() |
জোরারগঞ্জ থানার বিশেষ অভিযানে ১৪০ লিটার চোলাই মদ ও সিএনজিসহ গ্রেফতার ৩ মাদক কারবারি |
দেশজুড়ে মাদকের ভয়াবহতা রুখতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের এক সাঁড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় তৈরি চোলাই মদসহ তিন তরুণ মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা। পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মো: মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয়ের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা এবং জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল জোরারগঞ্জ থানাধীন ১নং করেরহাট ইউনিয়নের অন্তর্গত ১নং ওয়ার্ডের হাবিলদার ব্রীজের দক্ষিণ পাশে রাস্তার ওপর এক আকস্মিক তল্লাশি অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন একটি সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি করলে তার ভেতর থেকে অত্যন্ত সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৪০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। মাদক পরিবহনের দায়ে ঘটনাস্থল থেকেই হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় সিএনজিতে থাকা তিন মাদক কারবারিকে। গ্রেফতারকৃতরা হলো— ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানার শুভপুর ইউনিয়নের জয়চাঁদপুর গ্রামের ওজিউল্যার ছেলে মো: শফিক (১৮), একই এলাকার মিয়াধনের ছেলে মো: নাজমুল হোসেন (১৮) এবং ছাগলনাইয়া থানার ৮নং ওয়ার্ডের মধুয়ার এলাকার মো: ইলিয়াছের ছেলে মো: রাব্বি (১৮)। এরা সকলেই পার্শ্ববর্তী জেলা ফেনী থেকে এসে এই মাদক চোরাচালানের সাথে যুক্ত হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ২৪(গ)/৩৮/৪১ ধারায় জোরারগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে, যার মামলা নম্বর-২৭। আইনি প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে এবং যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পুলিশের এই ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃঢ়ভাবে জানানো হয়েছে।

