x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে ডিবি ও পুলিশের যৌথ অভিযান ডাকাত দলের হোতা রাসেলসহ গ্রেফতার ৩ জন।

জোরারগঞ্জে গোয়েন্দা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২৯ মামলার আসামিসহ ৩ দুর্ধর্ষ আন্তঃজেলা ডাকাত গ্রেপ্তার। উদ্ধার হয়েছে অস্ত্র ও দুটি পিকআপ ভ্যান।
প্রকাশঃ
অ+ অ-

চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানা এলাকা থেকে এক দুঃসাহসিক অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের তিন সক্রিয় ও দুর্ধর্ষ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্যতম মূল হোতা মোঃ নুর নবী প্রকাশ রাসেল, যার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় এর আগে ২৯টি ভিন্ন ভিন্ন মামলা রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি চৌকস দলের যৌথ প্রচেষ্টায় এই বড়সড় সাফল্যটি অর্জিত হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গোপন খবরের ভিত্তিতে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) জনাব রাসেল, পিপিএম-বার-এর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই রুদ্ধশ্বাস অভিযানটি চালানো হয়। এতে আরও সহযোগিতা করেন মীরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ নাদিম হায়দার চৌধুরী, জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ ইউনুছ আলী। গোয়েন্দা ও থানা পুলিশের এই যৌথ বাহিনী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ডাকাতদের অবস্থান শনাক্ত করে। নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৬ মে দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন ৩নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ সোনাপাহাড় এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের মাওলানা শফিউল আলম নিজামী সড়কের ঠিক সামনে ডাকাত দলটি অবস্থান নিয়েছিল। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি পিকআপ ভ্যান এবং বিপুল পরিমাণ দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্রসহ তাদের হাতেনাতে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মূল আসামি মোঃ নুর নবী ওরফে রাসেলের (৩৬) বাড়ি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার পশ্চিম বড়দেইল গ্রামে। রাসেলের সাথে গ্রেপ্তার হওয়া তার অন্য দুই সহযোগী হলো কুমিল্লা জেলার লালমাই থানার লগ্নশ্বর গ্রামের মৃত মোঃ রশিদের ছেলে কালাম (২৮) এবং লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চরকাচিয়া গ্রামের কুদ্দুসের ছেলে সেলিম (২০)। তারা দীর্ঘ দিন ধরে এই চক্রের সাথে জড়িত থেকে মহাসড়কে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত এই তিন দুর্ধর্ষ আসামির বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এই সফল অভিযানের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এমন তৎপরতা জনমনে ব্যাপক স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন