বারইয়ারহাটে জনদুর্ভোগ লাঘবে ড্রেন দখলমুক্ত করলেন পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল আলম মিয়াজী
বারইয়ারহাটে ড্রেন দখলমুক্ত করে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন করলেন বিএনপি নেতা দিদারুল আলম মিয়াজী। স্বস্তিতে স্থানীয় জনসাধারণ।চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট পৌরসভা এবং হিঙ্গুলি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত জলজট ও চরম জনদুর্ভোগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। স্থানীয় জনসাধারণের বহু দিনের জোরালো দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবার অবৈধ দখলে থাকা ড্রেনগুলো উচ্ছেদ করে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই যুগান্তকারী ও জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপটি গ্রহণ করেছেন বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট রাজনীতিক দিদারুল আলম মিয়াজী। তার এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরে এসেছে পুরো এলাকাজুড়ে। স্থানীয় নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বারইয়ারহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং ২ নম্বর হিঙ্গুলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সংযোগস্থলে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ড্রেনগুলোর বৃহৎ একটি অংশ দীর্ঘদিন যাবত প্রভাবশালী মহলের অবৈধ দখলে ছিল। শুধু তাই নয়, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে এই নালাগুলো ভরাট হয়ে পানি চলাচলের স্বাভাবিক পথ সম্পূর্ণভাবে রুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। এর ফলে প্রকৃতির সামান্যতম বৃষ্টিপাত হলেই ওই বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃত্রিম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে মানুষের বসতবাড়িতে পর্যন্ত পানি উঠে গিয়ে এক ভয়াবহ ও তীব্র জলাবদ্ধতার জন্ম দিত। বছরের পর বছর ধরে এমন অমানবিক ও চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছিলেন বারইয়ারহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং হিঙ্গুলি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অগণিত সাধারণ মানুষ। এই অসহনীয় জনদুর্ভোগ থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়ার আশায় স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ দীর্ঘ সময় ধরে ড্রেনগুলো দখলমুক্ত করে তা পুনরায় উন্মুক্ত করার জন্য জোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে এর কোনো সুরাহা হচ্ছিল না। অবশেষে সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও অবর্ণনীয় কষ্টের কথা অনুধাবন করে একটি দৃষ্টান্তমূলক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেন জনপ্রিয় বিএনপি নেতা দিদারুল আলম মিয়াজী। তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অত্যন্ত আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণের প্রাণের দাবি পূরণে এগিয়ে আসেন। তার প্রত্যক্ষ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে ড্রেনগুলোর ওপর গড়ে ওঠা সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ও প্রতিবন্ধকতা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে উচ্ছেদ করা হয়। দীর্ঘদিনের বদ্ধ নালাগুলো পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়ার ফলে এলাকার মানুষের মাঝে এক নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। বর্তমানে এই ড্রেনগুলোর অভ্যন্তরে জমে থাকা বছরের পর বছরের স্তূপীকৃত ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে পানি চলাচলের সম্পূর্ণ উপযোগী করার বিশাল কর্মযজ্ঞ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এমন একটি সাহসী ও জনবান্ধব উদ্যোগের বিষয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগী বাসিন্দারা অত্যন্ত উচ্ছ্বাস ও গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজেদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জানান যে, ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার কারণে বর্ষাকাল কিংবা সামান্য প্রাকৃতিক বৃষ্টিতেই তাদের বাড়িঘর ও আঙিনায় দূষিত পানি প্রবেশ করে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করত। দিদারুল আলম মিয়াজী সাধারণ মানুষের এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগের কথা গভীরভাবে বিবেচনা করে ড্রেনগুলো দখলমুক্ত করার যে অত্যন্ত সাহসী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তার জন্য তারা চিরকৃতজ্ঞ। আপামর এলাকাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস, এই ড্রেনগুলোর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়ে এগুলো পুরোপুরি সচল হওয়ার মাধ্যমে এলাকার দীর্ঘদিনের অভিশাপখ্যাত জলাবদ্ধতা সমস্যার একটি স্থায়ী ও কার্যকর সমাধান হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ফিরে পাবে তাদের স্বাভাবিক ও দুর্বিষহ জনদুর্ভোগমুক্ত এক নতুন জীবন।

