x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

বাধা পেরিয়ে মডেলিংয়ে রিয়াদের সফল প্রত্যাবর্তন

বাধা পেরিয়ে মডেলিংয়ে রিয়াদের সফল প্রত্যাবর্তন। আজরা মাহমুদ গ্রুমিং স্কুল থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে চান এই তরুণ মডেল।
প্রকাশঃ
অ+ অ-

একসময় যা ছিল কেবলই বয়ঃসন্ধিকালের রঙিন স্বপ্ন ও নেশা, আজ তা পরিণত হয়েছে জীবনের একমাত্র পেশা ও ক্যারিয়ার গড়ার প্রধান হাতিয়ারে। বলছিলাম দেশের উদীয়মান ও প্রতিশ্রুতিশীল মডেল রিয়াদের কথা। নবম-দশম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই শোবিজ অঙ্গনের ঝলমলে আলোর প্রতি তীব্র আকর্ষণ অনুভব করেন তিনি। কিন্তু মিডিয়ার এই কণ্টকাকীর্ণ পথটি মোটেও মসৃণ ছিল না রিয়াদের জন্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মেসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে টিভিসি এবং ওভিসির কাজের খোঁজ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তার এই দীর্ঘ সংগ্রামের সূচনা ঘটে। নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তিনি মডেলিং জগতে নিজের এক শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। শুরুর দিকে নিজেকে মেলে ধরার তাগিদে রিয়াদ সংবাদপত্রে মডেল হিসেবে কাজ শুরু করেন। সেখানে কাজ করতে গিয়েই পরিচয় ঘটে দেশের নামিদামি অন্যান্য মডেলদের সঙ্গে। তখনই তিনি প্রথম গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেন যে, দূর থেকে মিডিয়া জগতকে যতটা সহজ ও সাবলীল মনে হয়, বাস্তবতার জমিনে টিকে থাকার লড়াইটা ঠিক ততটাই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং। ক্যারিয়ারের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত নির্মাতার সঙ্গে চমৎকার কিছু টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে বয়সের অপরিপক্বতা এবং অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে সেই সুযোগগুলো তখন সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেননি। এরপর রিয়াদের জীবনে আসে এক দীর্ঘ বিরতি। তবে তিনি দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। নিজেকে নতুন করে প্রস্তুত করে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ‘মিস্টার অ্যান্ড মিস ফটোজেনিক’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে মূলধারার মিডিয়ায় এক রাজসিক প্রত্যাবর্তন করেন রিয়াদ। মূলত এই বিজয়ের পর থেকেই তার পেশাদার ক্যারিয়ারের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের ‘বিগ শো’-এর মাধ্যমে তার এই নতুন যাত্রার শুভসূচনা ঘটে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। দেশের স্বনামধন্য ফ্যাশন কোরিওগ্রাফারদের সঙ্গে কাজ করে সঞ্চয় করেছেন দারুণ সব অভিজ্ঞতা। নিজেকে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাওয়ার এক অদম্য স্পৃহা কাজ করে রিয়াদের মাঝে। তাই নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করতে এবং পেশাদারিত্বের নতুন ধাপে উন্নীত হতে ২০২৪ সালে তিনি দেশের স্বনামধন্য ‘আজরা মাহমুদ গ্রুমিং স্কুল’-এ ভর্তি হন। সেখান থেকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কলাকৌশল শিখে নিজেকে সমৃদ্ধ করছেন এই তরুণ প্রতিভা। ইতিমধ্যে দেশের অনেক জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় তারকা শিল্পীদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার অভিজ্ঞতাও তার ঝুলিতে জমা হয়েছে। কাজের প্রতি নিজের ডেডিকেশন নিয়ে রিয়াদ জানান, তিনি প্রতিনিয়ত শেখার ওপর জোর দেন। সিনিয়র শিল্পীরা কীভাবে কাজ করছেন, কোরিওগ্রাফার বা স্টাইলিস্টরা কী ধরনের নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং পরিচালকরা কীভাবে শট নিচ্ছেন—এই প্রতিটি বিষয় তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন ও নিজের আয়ত্তে আনার চেষ্টা করেন। সম্প্রতি একটি নাটকে ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেও দর্শকদের কাছ থেকে বেশ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছেন তিনি। তবে মডেলিংই এখন তার ধ্যান ও জ্ঞান। রিয়াদ বিশ্বাস করেন, মডেলিংয়ের মাধ্যমেই নান্দনিকতা ও সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটানো সম্ভব। তাই আগামীতে আরও বড় পরিসরে কাজ করে নিজের প্রতিভাকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের নাম বিশ্বমঞ্চে সগৌরবে উচ্চারিত হয়।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন