x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

লামায় আড়াই লাখ টাকার সড়কে হরিলুট! কাজ শেষের ৩ দিনেই বৃষ্টিতে ধসে পড়ল ইট

বান্দরবানের লামায় আড়াই লাখ টাকার রাস্তা কাজ শেষের ৩ দিনেই হালকা বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে। অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
প্রকাশঃ
অ+ অ-
বান্দরবানের লামায় আড়াই লাখ টাকার রাস্তা কাজ শেষের ৩ দিনেই হালকা বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে।

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামায় উন্নয়নের নামে চরম অবহেলার এক চাঞ্চল্যকর চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের হিমছড়ি এলাকায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি ফ্ল্যাট সলিং সড়ক কাজ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় হালকা বৃষ্টিতেই ভেঙে পড়েছে। এতে সরকারি অর্থের অপচয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হিমছড়ি এলাকার মনুর বাড়ি থেকে স্থানীয় মসজিদ পর্যন্ত যাতায়াতের সুবিধার জন্য এই ফ্ল্যাট সলিং রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, পুরনো রাস্তার শেষ প্রান্ত থেকে নতুন কাজ শুরু করার সরকারি নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। মাঝখানে প্রায় ৩০০ ফুট জায়গা সম্পূর্ণ ফাঁকা রেখে খেয়ালখুশি মতো কাজ করা হয়েছে। ফলে এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ও সঠিক বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কাজের ক্ষেত্রে চরম গাফিলতির পরিচয় দিয়েছেন। ইট বসানোর আগে রাস্তার ভিত্তি বা বক্স সঠিকভাবে প্রস্তুত করা হয়নি। এছাড়া নিয়মানুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ বালু ব্যবহার না করায় রাস্তার নিচের মাটি একেবারেই নরম থেকে যায়। ফলস্বরূপ, সামান্য একটু বৃষ্টির পানিতেই ইটের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে কাদায় দেবে যাচ্ছে পুরো রাস্তা। ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি আবু জাকের বলেন, পাহাড়ি এই দুর্গম এলাকায় এমনিতেই সরকারি বরাদ্দ আসে খুব কম। মাঝে মাঝে যে সামান্য বাজেট আমরা পাই, তা নিয়েও যদি এমন নয়ছয় আর তামাশা করা হয়, তবে আমরা সাধারণ মানুষ কার কাছে যাব? কার কাছে বিচার চাইব? তার এই আক্ষেপ মূলত পুরো এলাকার মানুষেরই মনের কথা। সরকারি নথিপত্র ঘেঁটে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের দ্বিতীয় কিস্তির আওতায় এই রাস্তাটির জন্য আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। যোগাযোগ খাতের অধীনে থাকা এই প্রকল্পটি মূলত সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমানোর জন্যই নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিম্নমানের কাজের কারণে তা এখন উল্টো গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জোর দাবি, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন অনতিবিলম্বে প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। রাস্তার বক্স প্রস্তুতি, ইট ও বালুর সঠিক অনুপাত এবং বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার হয়েছে কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, পাহাড়ি জনপদের এই ক্ষুদ্র উন্নয়ন প্রকল্পগুলো কেবল দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারী করার হাতিয়ার হয়েই থাকবে।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন