অতীতের আবহে নতুন চমক: ৮০ দশকের লুকে হোনর ফোনের বিজ্ঞাপনে এমএইচএস লাবন
হোনর ফোনের নতুন বিজ্ঞাপনে ৮০ দশকের লুকে হাজির হচ্ছেন ফেস অব টুমরো চ্যাম্পিয়ন এমএইচএস লাবন। বিএফডিসিতে চমৎকার এই ওভিসিটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।![]() |
| ৮০ দশকের লুকে বিজ্ঞাপনে ফেস অব টুমরোর চ্যাম্পিয়ন এমএইচএস লাবন |
ফেস অব টুমরো ২০২৬-এর মুকুটজয়ী তরুণ ও প্রতিভাবান অভিনেতা, মডেল এবং নাট্যকর্মী এমএইচএস লাবন এবার সম্পূর্ণ এক নতুন রূপে দর্শকদের সামনে হাজির হতে চলেছেন। সম্প্রতি তিনি প্রখ্যাত নির্মাতা ইমন খান জিয়নের নির্দেশনায় জনপ্রিয় স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হোনর-এর একটি নতুন ওভিসিতে বা অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়ালে অভিনয় করেছেন। এই বিজ্ঞাপনচিত্রের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো লাবনের অভিনব লুক, যেখানে তাকে আশির দশকের একজন স্টাইলিশ নায়কের বেশে দেখা যাবে। বিনোদন জগতের এই উদীয়মান তারকার একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই চমকপ্রদ তথ্য ও বেশ কিছু আকর্ষণীয় ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। ছবিতে স্পষ্টতই আশির দশকের সেই চিরচেনা নস্টালজিক স্টাইল, পোশাক এবং চুলের কাট ফুটে উঠেছে যা দর্শকদের পুরনো দিনের সোনালী অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। জানা গেছে, বিজ্ঞাপনটির চিত্রধারণের কাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন বা বিএফডিসির মনোরম লোকেশনে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। হোনর ফোনের এই বিশেষ বিজ্ঞাপনটিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে এমএইচএস লাবন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আশির দশকের এমন একটি ভিন্নধর্মী লুকে নিজেকে উপস্থাপন করা তার জন্য অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং দারুণ এক অভিজ্ঞতা ছিল। পুরো শুটিং সেটে একটি চমৎকার নস্টালজিক আবহ বিরাজ করছিল যা তার অভিনয়কে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। নির্মাতা ইমন খান জিয়নসহ পুরো ইউনিটের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও বেশ আনন্দদায়ক ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই দৃষ্টিনন্দন লুকটি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার পেছনে কস্টিউম ডিজাইনার মো. ফজলে রাব্বি এবং মেকআপ আর্টিস্ট হৃদয়ের বিশেষ অবদান রয়েছে। বিএফডিসিতে সেট নির্মাণ থেকে শুরু করে সাজসজ্জা—সবকিছুতেই ছিল সেই হারিয়ে যাওয়া দশকের নান্দনিকতার নিখুঁত ছোঁয়া। ফেস অব টুমরো ২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই এমএইচএস লাবন তার সাবলীল অভিনয় এবং মডেলিং দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছেন। নিয়মিত নাটক ও বিজ্ঞাপনে কাজ করার পাশাপাশি তিনি নিজেকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রূপে ভাঙছেন ও গড়ছেন। হোনর ফোনের এই ব্যতিক্রমী ওভিসিটি খুব শিগগিরই বিভিন্ন ডিজিটাল ও সম্প্রচার মাধ্যমে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, যা লাবনের ক্যারিয়ারে আরও একটি সফল পালক যুক্ত করবে বলে বিনোদন বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

