x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

লোকসানের বিশাল বোঝা ও মধ্যপ্রাচ্য সংকট: বাধ্য হয়েই জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও বিপুল ভর্তুকির চাপ সামলাতেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সরকার, জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
প্রকাশঃ
অ+ অ-
বাধ্য হয়েই সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। 

বর্তমান সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। কেন হঠাৎ করে এই দাম বাড়ানো হলো, তা নিয়ে জনমনে যখন নানা প্রশ্ন, ঠিক তখনই বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চরম অস্থিতিশীলতার কারণেই সরকার দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়ে দেশের সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক চাপের কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ার ফলে দেশের অর্থনীতিতে এর সরাসরি প্রভাব পড়ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রাখায় প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের ভর্তুকি দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল সরকার। প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুধু জ্বালানি খাতের এই বিশাল ভর্তুকির চাপ সামলাতে গিয়ে প্রতি মাসে রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে প্রায় ১৩ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ধরনের অশনিসংকেত হিসেবে দেখা দিয়েছিল। পরিসংখ্যান ও ভর্তুকির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, সর্বাধিক ব্যবহৃত জ্বালানি অর্থাৎ ডিজেলে সরকারকে লিটার প্রতি সর্বোচ্চ ৯০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি প্রদান করতে হচ্ছিল। এই বিশাল অংকের ভর্তুকি বছরের হিসাবে গিয়ে দাঁড়াত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকায়। শুধু একটি নির্দিষ্ট খাতেই যদি এত বড় অংকের বাজেট ঘাটতি তৈরি হয়, তবে তা যেকোনো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে, সব ধরনের জ্বালানি মিলিয়ে বছর শেষে সরকারের মোট লোকসানের পরিমাণ গিয়ে পৌঁছাত প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার এক বিশাল অংকে। প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত আক্ষেপের সঙ্গেই জানান যে, সরকার কখনোই সাধারণ মানুষের ওপর কোনো ধরনের আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দিতে চায় না। কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার স্বার্থে সরকারের সামনে এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ খোলা ছিল না। তিনি আরও বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য বজায়ে রাখতেই সম্পূর্ণ অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এই মূল্যবৃদ্ধির পথে হাঁটতে হয়েছে। এটি একটি কঠিন কিন্তু অপরিহার্য পদক্ষেপ ছিল।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন