বিএনসিসি রমনা রেজিমেন্টের ১৪ দিনব্যাপী ব্যান্ড প্রশিক্ষণের বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠিত
সরকারি বাঙলা কলেজে বিএনসিসি রমনা রেজিমেন্টের ১৪ দিনব্যাপী ব্যান্ড প্রশিক্ষণের বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠিত। উপস্থিত ছিলেন লে. কর্নেল মুহাম্মদ ইসহাক।বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর বা বিএনসিসির রমনা রেজিমেন্টের নিবিড় তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ১৪ দিনব্যাপী এক বিশেষ ব্যান্ড প্রশিক্ষণ কোর্সের সফল সমাপ্তি ঘটেছে। শনিবার রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারি বাঙলা কলেজ প্রাঙ্গণে এক অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই প্রশিক্ষণ শিবিরের পর্দা নামে। এই আকর্ষণীয় সমাপনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে আসন অলঙ্কৃত করেন রমনা রেজিমেন্টের সুযোগ্য রেজিমেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ ইসহাক। অনুষ্ঠানস্থলে তিনি উপস্থিত হলে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধান অতিথি অত্যন্ত মনোযোগের সাথে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চৌকস ক্যাডেটদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মনোরম ব্যান্ড ডিসপ্লে পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি ক্যাডেটদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক সালাম গ্রহণ করেন, যা ছিল উপস্থিত সকলের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে সমবেত সকলের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদানকালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ ইসহাক বলেন, ব্যান্ড সঙ্গীত কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি মানবজীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু গুণাবলি যেমন কঠোর শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সমন্বয় এবং নিয়মানুবর্তিতার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তিনি আরও গভীরভাবে আলোকপাত করেন যে, এ ধরনের নিবিড় ও সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তরুণ প্রজন্মের মাঝে কেবল নেতৃত্বের বিকাশই ঘটায় না, বরং তাদের হৃদয়ে দেশপ্রেমের অগাধ চেতনা জাগ্রত করতেও অনবদ্য ভূমিকা পালন করে। ফলশ্রুতিতে এই তরুণরা আগামী দিনের সুনাগরিক ও দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করার সুযোগ পায়। উক্ত জমকালো সমাপনী আয়োজনে অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সরকারি বাঙলা কলেজের সম্মানিত অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান। এছাড়া বিএনসিসির বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সুদক্ষ সামরিক প্রশিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী এবং বিপুল সংখ্যক ক্যাডেটদের সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। সবশেষে ক্যাডেটদের পরিবেশনায় এক মনোমুগ্ধকর ব্যান্ড ডিসপ্লে এবং দৃষ্টিনন্দন প্যারেড প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এই প্রশিক্ষণ ক্যাডেটদের ভবিষ্যতের জন্য এক নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

