"স্কটল্যান্ড ম্যাচ' দিয়ে বিশ্বকাপে ফিরছেন নেইমার
ইনজুরি কাটিয়ে আগামী ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। সুখবরটি নিশ্চিত করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার মাঝেই সেলেসাও সমর্থকদের জন্য এল সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর। ইনজুরির কারণে গ্রুপ পর্বের প্রথম দুটি ম্যাচ মিস করলেও, নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামতে পুরোপুরি প্রস্তুত ফুটবলের অন্যতম বড় সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র। দলের হেড কোচ কার্লো আনচেলত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর নিশ্চিত করেছেন। আগামী ২৫ জুন 'সি' গ্রুপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ও শেষ লড়াইয়ে স্কটল্যান্ডের মোকাবিলা করবে ব্রাজিল। আর এই ম্যাচ দিয়েই এবারের বিশ্বকাপে নিজের অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। উল্লেখ্য, ডান পায়ের মাংসপেশির চোটে ভোগার কারণে মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষের ম্যাচে তাকে দর্শকসারিতে বসেই সময় পার করতে হয়েছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সাথে ১-১ গোলে ড্র করে কিছুটা হোঁচট খেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে দারুণভাবে ছন্দে ফিরেছে আনচেলত্তির শিষ্যরা। হাইতির বিপক্ষে এই দুর্দান্ত জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে আনচেলত্তি নেইমারের বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, 'নেইমার আগামীকাল একাই অনুশীলন সেশন পার করবে। এরপর সোমবার থেকে মূল দলের বাকি সদস্যদের সাথে পুরোদমে ঘাম ঝরাবে সে। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে, স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে পুরোপুরি ফিট হিসেবেই পাওয়া যাবে।' প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে নিজের পুরনো ক্লাব সান্তোসের হয়ে মাঠে নামার সময় ডান পায়ের মাংসপেশিতে মারাত্মক আঘাত পান নেইমার। চোটের অবস্থা বেশ গুরুতর হওয়া সত্ত্বেও তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও অসামান্য সামর্থ্যের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাকে নিয়েই ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করে ব্রাজিলিয়ান টিম ম্যানেজমেন্ট। ইনজুরির অভিশাপে ২০২৩ সালের পর থেকে সেলেসাওদের হলুদ জার্সিতে মাঠে নামার সুযোগ হয়নি এই মহাতারকার। জাতীয় দলের হয়ে ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সম্মানজনক সিংহাসনে বসে আছেন তিনি। নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া এই কিংবদন্তি ফুটবলার স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমে জাদুকরী পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলকে কতদূর নিয়ে যেতে পারেন, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে পুরো ফুটবল বিশ্ব।

