কৃষিতে নতুন দিগন্ত: চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন প্রকল্পের ঐতিহাসিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর ফলে বৃহত্তর অঞ্চলের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।
প্রকাশঃ
বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় আজ সূচিত হলো এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক অধ্যায়। ১৬ মে ২০২৬, শনিবার, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার অন্তর্গত টামটা অঞ্চলে এক অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ, বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে বহু প্রতীক্ষিত ‘খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন’ মহাপরকল্পনার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়েছে। এই মেগা প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। স্থানীয় কৃষিজীবী ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ও প্রাণের দাবি ছিল ঐতিহ্যবাহী এই খালটির সংস্কার কাজ। কালের বিবর্তনে মৃতপ্রায় এই খালটি পুনঃখননের ফলে অত্র অঞ্চলের সেচ ব্যবস্থায় এক অভাবনীয় ও আমূল পরিবর্তন সাধিত হবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্থানীয় বিশাল জনসমুদ্রে এক দিকনির্দেশনামূলক ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি তার সুচিন্তিত বক্তব্যে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, গ্রাম-বাংলার সার্বিক অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির চাকাকে আরও বেগবান করার বাস্তবমুখী রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেন যে, দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা নদী, খাল-বিল ও জলাশয়গুলোকে পুনরায় সচল ও দূষণমুক্ত করার মাধ্যমেই কৃষিব্যবস্থাকে একটি আধুনিক, লাভজনক ও টেকসই রূপ দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় মুহূর্তে শাহরাস্তির টামটা এলাকার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, আপামর কৃষক সমাজ এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে অনুষ্ঠানটিকে এক ভিন্ন মাত্রা প্রদান করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই বর্ণাঢ্য আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা চাঁদপুর জেলা জুড়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবের আমেজ, বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস ও ব্যাপক উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও কৃষি গবেষকগণ অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, এই মেগা প্রকল্পের শতভাগ সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃহত্তর এই অঞ্চলের আর্থসামাজিক দৃশ্যপট সম্পূর্ণভাবে পাল্টে যাবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিনের অভিশাপ হিসেবে পরিচিত বর্ষাকালের জলাবদ্ধতা চিরতরে নিরসন এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচকাজের জন্য তীব্র পানির হাহাকার দূর করতে এই খোর্দ্দ খালটি অত্র এলাকার কৃষকদের জন্য এক অনন্য আশীর্বাদ হিসেবে আবির্ভূত হবে। ক্যামেরায় আমাদের নিজস্ব চিত্রগ্রাহকের ধারণকৃত দৃশ্য ও স্থানীয় প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থেকে এই ছিল খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন প্রকল্পের সর্বশেষ ও বিস্তারিত সংবাদ প্রতিবেদন।

