x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

যুবদলের নেতৃত্বে চমক: আলোচনায় শীর্ষে আকরামুল হাসান মিন্টু

যুবদলের নতুন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে আকরামুল হাসান মিন্টু। পরীক্ষিত নেতাদের সমন্বয়ে শক্তিশালী কমিটির অপেক্ষায় তৃণমূল।
প্রকাশঃ
অ+ অ-

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের নতুন মেরুকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম প্রধান সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের খবর চাউর হতেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সূত্র এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজপথের পরীক্ষিত ও লড়াকু সৈনিকদের সমন্বয়ে যুবদলের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও গতিশীল নতুন কমিটি গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিএনপির শীর্ষ হাইকমান্ড। এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় আসন্ন নেতৃত্বের প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে ছাত্রদলের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টুর নাম। যুবদলের আগামী দিনের কাণ্ডারি হিসেবে, বিশেষত সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য তার নামটিই বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। শুধুমাত্র আকরামুল হাসান মিন্টুই নন, যুবদলের এই শীর্ষ নেতৃত্বের দৌড়ে আরও বেশ কয়েকজন চৌকস ও দক্ষ সংগঠকের নামও জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। বিশ্বস্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য নেতাদের তালিকায় রয়েছেন মামুন হাসান, গোলাম মাওলা শাহীন, রেজাউল কবীর পল এবং বিল্লাল হোসেন তারেক। দলের নীতিনির্ধারকদের গুড বুকে এই ত্যাগী নেতাদের নাম থাকলেও, সাধারণ সম্পাদক পদে আকরামুল হাসান মিন্টুর প্রতি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের যে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দেখা যাচ্ছে, তা সত্যিই অভাবনীয়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল এবং মাঠ পর্যায়ের ত্যাগী কর্মীদের মতে, আকরামুল হাসান মিন্টু কেবল একজন সাধারণ নেতাই নন, তিনি মূলত রাজনৈতিক সংগঠন পরিচালনার একজন নিপুণ কারিগর। তার নেতৃত্বের বেশ কিছু স্বকীয় বৈশিষ্ট্য তাকে সমসাময়িক অন্যান্য নেতাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। প্রথমত, সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক বিরল ও অনন্য গুণ রয়েছে তার মাঝে। সংগঠনের ভেতরে কোনো ধরনের গ্রুপিং বা অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে প্রশ্রয় না দিয়ে, সবাইকে একই আদর্শের ছায়াতলে একতাবদ্ধ রাখতে তিনি সিদ্ধহস্ত। দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের সবচেয়ে অবহেলিত কর্মীটির সাথেও তার রয়েছে নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য যোগাযোগ, যা তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার অন্যতম প্রধান নিয়ামক। দ্বিতীয়ত, তার অসামান্য সাংগঠনিক দক্ষতা। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং পদে দায়িত্ব পালনকালে, চরম বৈরী ও প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তিনি যেভাবে দেশব্যাপী বিভিন্ন ইউনিটকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করেছিলেন, তা আজও দলের প্রতিটি নেতাকর্মীর কাছে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুবদলকে একটি আদর্শভিত্তিক, সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী ক্যাডার ভিত্তিক ভ্যানগার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে তার এই সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছে দলটির হাইকমান্ড। তৃতীয়ত, রাজপথের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার আপসহীন ও দৃঢ় অবস্থান। অসংখ্য হামলা, মিথ্যা মামলা এবং দীর্ঘ কারাবাসের মতো অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েও যিনি কখনো রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে একচুলও পিছু হটেননি, এমন একজন অকুতোভয় ও পরীক্ষিত নেতাকেই এবার যুবদলের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের মূল কাণ্ডারি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ কর্মীরা। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, বর্তমানের এই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং রাজনৈতিক বাস্তবতায় এমন একজন সুদক্ষ নেতারই বেশি প্রয়োজন, যিনি দলের মধ্যকার সমস্ত মান-অভিমান ও বিভেদ ভুলে সবাইকে রাজপথের বৃহত্তর আন্দোলনে ইস্পাতকঠিন ঐক্যে আবদ্ধ করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট সকলেরই প্রত্যাশা, আকরামুল হাসান মিন্টু এবং অন্যান্য ত্যাগী, পরীক্ষিত ও যোগ্য নেতাদের অপূর্ব সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ও তারুণ্যদীপ্ত নতুন কমিটি গঠিত হলে, আগামী দিনে জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী, অপ্রতিরোধ্য ও গতিশীল ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন