x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

৭৬ লাখ টাকার চেক জালিয়াতি: জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি গ্রেপ্তার

৭৬ লাখ টাকার চেক জালিয়াতি মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত জামালপুর জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি হারুনুর রশীদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রকাশঃ
অ+ অ-

বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাৎ ও চেক জালিয়াতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েছেন জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি হারুনুর রশীদ। ৭৬ লাখ টাকার এক ভয়াবহ চেক জালিয়াতি মামলায় এক বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১০ মে) ভরদুপুরে পৌর শহরের সরদারপাড়া এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। রোববার রাতেই মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সংবাদমাধ্যমকে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার ও স্থানীয় পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যমতে, প্রায় বছরখানেক আগে নিজের ব্যক্তিগত ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক উন্নয়নের অজুহাত দেখিয়ে এরশাদ আলী নামের এক স্থানীয় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ ৭৬ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন জামায়াত নেতা হারুনুর রশীদ। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও তিনি এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেননি। পাওনাদার এরশাদ আলী বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও টাকা প্রদানে কালক্ষেপণ এবং টালবাহানা করতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ব্যবসায়ী এরশাদ আলী নিজের পাওনা টাকা উদ্ধারের আশায় জামালপুরের বিজ্ঞ আদালতের শরণাপন্ন হন এবং সেখানে একটি চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় এই অভিযোগের শতভাগ সত্যতা প্রমাণিত হয়। তবে বিচারকাজ চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত হারুনুর রশীদ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পলাতক থাকায় বিজ্ঞ আদালত আসামির অনুপস্থিতিতেই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রতারণার দায়ে তাকে ৭৬ লাখ টাকা পরিশোধ এবং একইসঙ্গে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এই রায়ের পর আদালত আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য মেলান্দহ থানা পুলিশকে কড়া নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে মেলান্দহ থানার পুলিশ গোপন গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার দুপুরে সরদারপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে সফলভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে কঠোর নিরাপত্তায় মেলান্দহ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে মেলান্দহ থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, বিজ্ঞ আদালত থেকে সরাসরি আমাদের কাছে ওই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এসে পৌঁছায়। আমরা উন্নত প্রযুক্তি ও নিজস্ব সোর্সের ভিত্তিতে রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হই। আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার তাকে যথাযথভাবে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে। এই হাই-প্রোফাইল গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন