x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

বিশ্বজুড়ে ফের প্রাণঘাতী ভাইরাসের আতঙ্ক:

বিশ্বজুড়ে ইবোলা ও হান্টাভাইরাসের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব। কঙ্গোতে ৮০ জনের মৃত্যু, ডব্লিউএইচও'র জরুরি অবস্থা জারি। বিস্তারিত জানুন আজকের প্রতিবেদনে।
প্রকাশঃ
অ+ অ-

ইবোলা ভাইরাস (Ebola Virus) | প্রতীকী ছবি 

বর্তমানে সারা বিশ্বে নতুন করে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে বেশ কয়েকটি অত্যন্ত বিরল এবং প্রাণঘাতী ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। কোভিড মহামারীর ধাক্কা সামলে ওঠার পর এবার বিশ্ববাসীর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ইবোলা এবং হান্টাভাইরাসের মতো ভয়ংকর কিছু রোগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুটি ভাইরাসের ভয়াবহতা এতটাই যে, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে তা বড় ধরনের বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। প্রথমে আসা যাক ইবোলা ভাইরাসের কথায়। আফ্রিকা মহাদেশের কঙ্গো প্রজাতন্ত্র এবং উগান্ডায় সম্প্রতি এই মারাত্মক ভাইরাসের এক অত্যন্ত বিরল প্রজাতির সংক্রমণ দেখা গিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর মংগওয়ালু এবং রামপারা শহরে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, ওই অঞ্চলগুলোতে অন্তত ২৪৬ জন মানুষ এই প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ইতিমধ্যে ৮০ জনেরও বেশি মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও। শুধু উদ্বেগ প্রকাশই নয়, পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও আন্তর্জাতিক বিস্তারের ঝুঁকি বিবেচনা করে সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা বা গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি জারি করেছে। অন্যদিকে, আতঙ্কের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে হান্টাভাইরাস। এটি মূলত ইঁদুর বা এই জাতীয় তীক্ষ্ণ দাঁতধারী প্রাণীর মলমূত্র এবং লালার সংস্পর্শ থেকে মানবদেহে ছড়ায়। অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, সম্প্রতি একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীতে এই হান্টাভাইরাসের ভয়ংকর সংক্রমণের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে, যা পর্যটক ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ভীতি সঞ্চার করেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলো একেবারে সাধারণ জ্বর বা ফ্লুর মতোই হয়ে থাকে। এর ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ শনাক্ত করা চিকিৎসকদের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করতে না পারায় রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। সব মিলিয়ে, একদিকে ইবোলার মারণ থাবা এবং অন্যদিকে হান্টাভাইরাসের নীরবে ছড়িয়ে পড়া, দুইয়ে মিলে বিশ্বজুড়ে এক গভীর স্বাস্থ্য সংকটের অশনিসংকেত দেখা দিচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই মারণঘাতী ভাইরাসগুলোর বিস্তৃতি রোধ করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

হান্টাভাইরাস (Hantavirus)
         

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন