x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

অবুঝ শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর খণ্ডিত করে নৃশংস হত্যা:

মাত্র ৭ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে টুকরো করে হত্যার লোমহর্ষক বিবরণ। বাইরে মায়ের আর্তনাদ আর ভেতরে চলা পৈশাচিকতার বিস্তারিত প্রতিবেদন।
প্রকাশঃ
অ+ অ-

হৃদয় বিদারক এক ঘটনার সাক্ষী হলো পুরো দেশ, যা শুনলে যেকোনো সুস্থ মানুষের গা শিউরে উঠবে। মাত্র সাত বছরের এক নিষ্পাপ শিশু রামিসা। বড় বোনের হাত ধরে যার প্রতিদিন হাসিমুখে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই অবুঝ শিশুটিকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা  করা হয়েছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সহযোগিতা করেছে খোদ খুনির স্ত্রী! ঘটনাটি যখন ঘটছিল, তখনো বাইরে দাঁড়িয়ে দরজায় কড়া নাড়ছিলেন রামিসার হতভাগ্য মা। বিস্তারিত সংবাদে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিন সকালেও বড় বোনের সাথে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ছোট্ট রামিসা। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার ঠিক আগমুহূর্তে হঠাৎ করেই শিশুটিকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত, তাই ছোট বোনকে দেখতে না পেয়ে বড় বোন পাগলের মতো বাসার নিচে খুঁজতে ছুটে যায়। অন্যদিকে উদ্বিগ্ন মা খুঁজতে শুরু করেন আশপাশের ফ্ল্যাটগুলোতে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের একটি ফ্ল্যাটের দরজার সামনে রামিসার একটি জুতো পড়ে থাকতে দেখেন মা। অন্য জুতোটি সেখানে ছিল না। পরিচিত ওই জুতো দেখে মায়ের মনে কিছুটা স্বস্তি এসেছিল এই ভেবে যে, হয়তো শিশুটি কোনো প্রয়োজনে প্রতিবেশীর বাসায় ঢুকেছে। কিন্তু তিনি ঘুণাক্ষরেও টের পাননি ওই বন্ধ দরজার ওপাশে তার কলিজার টুকরোর ওপর কী নির্মম পৈশাচিকতা চলছে। রামিসার মা সেই ফ্ল্যাটের দরজায় বারবার নক করতে থাকেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি দরজায় ধাক্কাও দেন। কিন্তু দরজাটি ভেতর থেকে অত্যন্ত শক্তভাবে আটকে রাখা হয়েছিল। সময় গড়ানোর সাথে সাথে দরজা না খোলায় মায়ের মনের সন্দেহ ও আতঙ্ক তীব্র হতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি চিৎকার করে আশপাশের অন্যান্য ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের জড়ো করেন এবং জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। পুলিশ সদস্যরাও প্রথমে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেন, কিন্তু কোনোভাবেই তা খোলা যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে তারা দরজাটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। দীর্ঘক্ষণ রুদ্ধশ্বাস চেষ্টার পর অবশেষে দরজাটি খোলা সম্ভব হয়। কিন্তু দরজা খোলার পর ভেতরে উপস্থিত সবাই যে দৃশ্য দেখেন, তার জন্য কেউই প্রস্তুত ছিলেন না। পুরো কক্ষের মেঝে ও চারদিকে ছোপ ছোপ তাজা রক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। রক্তের ধারা অনুসরণ করে পুলিশ সদস্যরা যখন খাটের নিচে উঁকি দেন, তখন সেখানে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন ৭ বছরের এক শিশুর দেহ। বীভৎস এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত সবার বুক কেঁপে ওঠে। পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পা ধরে টেনে শিশুটির লাশটি বাইরে বের করে আনেন। এই লোমহর্ষক ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি উঠেছে সর্বত্র।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন