যুবদলের নেতৃত্বে নতুন সমীকরণ তৃণমূলের আস্থায় মিন্টু
যুবদলের নতুন কমিটিতে আলোচনার শীর্ষে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু। ত্যাগী এই নেতাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা।![]() |
| মোহাম্মদ আকরামুল হাসান মিন্টু | সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ। |
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চরম দুঃসময়ে আকরামুল হাসান মিন্টু ছিলেন এক অতন্দ্র প্রহরী। ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী বৈরী পরিবেশ থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার আপসহীন ভূমিকা রাজপথের কর্মীদের মুখে মুখে। বিশেষ করে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে তিনি ছিলেন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। ফ্যাসিবাদের পতনের লক্ষ্যে রাজপথে বুক চিতিয়ে লড়াই করা এবং আন্দোলনের কঠিন সময়ে কর্মীদের দিকনির্দেশনা দিয়ে রাজপথ আগলে রাখার ক্ষেত্রে তিনি অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন।
যুবদলের আগামী দিনের নেতৃত্বের দৌড়ে মিন্টুর এই অগ্রগামী অবস্থানের মূল শক্তি হলো তৃণমূলের সাথে তার নিবিড় ও আত্মিক সম্পর্ক। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কাছে মিন্টু এমন একজন নেতা, যিনি এসি রুমের ড্রয়িংরুম রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন; বরং তিনি রাজপথের ধুলোবালি মাখা কর্মীদের ভাষা সবচেয়ে ভালো বোঝেন। বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য মিথ্যা মামলা, পুলিশের হুলিয়া এবং বারবার কারাবরণ করার পরও যিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরে দাঁড়াননি, তাকেই এখন সংগঠনের প্রধান কাণ্ডারি হিসেবে দেখতে চায় সর্বস্তরের নেতাকর্মী।
যুবদলের নেতৃত্বের প্রশ্নে সারা দেশের বিভিন্ন ইউনিটের তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে এখন সাজ সাজ রব। তাদের সরাসরি বক্তব্য:
আমরা এমন নেতৃত্ব চাই যারা ড্রয়িংরুমের রাজনীতি নয়, বরং রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে আমাদের পাশে থাকবেন। আকরামুল হাসান মিন্টু ভাই আমাদের সেই আস্থার জায়গা। দুঃসময়ে তাকে ডাকলেই পাওয়া যায়। চব্বিশের অভ্যুত্থানে তিনি যেভাবে আমাদের সাথে রাজপথে ছিলেন, তা আমাদের সাহস কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। আমরা মনে করি, তার হাতেই যুবদল সবচেয়ে নিরাপদ।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুবদলকে একটি শক্তিশালী, সুশৃঙ্খল এবং যুগোপযোগী ভ্যানগার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে আকরামুল হাসান মিন্টুর কোনো বিকল্প নেই। ছাত্রদলের সাবেক এই সফল নেতার পেছনে রয়েছে এক বিশাল এবং নিবেদিতপ্রাণ কর্মী বাহিনী। যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে তাকে নিয়ে আসা হলে সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি যেমন মজবুত হবে, তেমনি আগামী দিনের যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় তারা অসীম সাহসিকতার সাথে রাজপথ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হবে।
বিএনপির হাইকমান্ড সবসময়ই ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করে। সেই ধারাবাহিকতায় আকরামুল হাসান মিন্টুর মতো একজন দূরদর্শী ও দক্ষ সংগঠককে যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বে নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি। তৃণমূলের এই অকুণ্ঠ সমর্থন তাকে নেতৃত্বের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রেখেছে। মাঠের রাজনীতির বর্তমান চিত্র স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে যোগ্যতা, ত্যাগ এবং কর্মীদের প্রত্যাশার পারদে মিন্টুই হচ্ছেন যুবদলের আগামীর কান্ডারি।

