x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

অস্কারের মঞ্চে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচনে সিন্ডিকেট ও চরম অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

অস্কারে বাংলাদেশের সিনেমা বাছাইয়ে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ। স্বচ্ছতা নিশ্চিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন চলচ্চিত্রকর্মীরা।
প্রকাশঃ
অ+ অ-
অস্কারে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ

বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ আসর অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কার। আসন্ন ৯৯তম অস্কারের আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র শাখায় বাংলাদেশের সিনেমা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তবে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে এবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে চরম অনিয়ম, অস্বচ্ছতা এবং একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের একচ্ছত্র আধিপত্যের গুরুতর অভিযোগ। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের (বিএফএসএফ) একাংশ এবং তথাকথিত বাংলাদেশ অস্কার কমিটি নিজেদের খেয়ালখুশি মতো যথেচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিনেমা নির্বাচন করে আসছে। এই প্রক্রিয়ায় মেধা ও যোগ্যতার চেয়ে প্রভাবশালীদের ব্যক্তিগত পছন্দ এবং সিন্ডিকেটের স্বার্থই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জোরালো দাবি করেছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অস্কারে সিনেমা পাঠানো উপলক্ষে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় যা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য ফিল্ম সোসাইটি, চলচ্চিত্র সংসদ ও ফিল্ম ক্লাবগুলোকে এই আয়োজনের বিষয়ে ঘুণাক্ষরেও জানানো হয়নি। মূল স্টেকহোল্ডারদের পুরোপুরি অন্ধকারে রেখে এমন একতরফা আয়োজনে ক্ষোভে ফুঁসছেন চলচ্চিত্রকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন, অস্কারের মতো বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্বকারী একটি চলচ্চিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কেন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংগঠনগুলোর কোনো ধরনের মতামত বা অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে না? এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটিজ ফেডারেশনের (বিএফএসএফ) একাংশের সভাপতি বড়ুয়া মনোজিত ধীমন। তিনি এই অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার তীব্র সমালোচনা করে জানান, অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক ও সম্মানজনক আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে যে সিনেমা, তা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা বা খামখেয়ালিপনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। চলচ্চিত্র অঙ্গনের সমতা ও অধিকারকে পদদলিত করে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আধিপত্য বিস্তার কখনোই কাম্য হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে কেউ যদি নিজেদের আখের গোছাতে চায়, তবে তা অবিলম্বে রুখে দেওয়া সরকারের অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণেরও জোর দাবি জানান তিনি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ক্ষুব্ধ চলচ্চিত্র সংসদ ও ফিল্ম ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশ অস্কার কমিটির গঠনতান্ত্রিক বৈধতা, তাদের যাবতীয় কার্যক্রম, সদস্য সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণহীনতা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সিনেমা বাছাইয়ের প্রকৃত প্রক্রিয়া নিয়ে একটি নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার দাবি তুলেছেন। তারা মনে করেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য অবিলম্বে কমিটির যাবতীয় নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করা উচিত এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও মতামত গ্রহণ করে একটি স্বচ্ছ ও সর্বজনগ্রাহ্য তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার। পরিশেষে, চলচ্চিত্র অঙ্গনের বৃহত্তর স্বার্থে, যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনে একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দেশের সকল চলচ্চিত্রকর্মী, নির্মাতা ও সংগঠনগুলোকে ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন