১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার।
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ বারইয়ারহাটে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ রহিম উল্ল্যাহ রনি নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে।মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রামের মিরসরাই অঞ্চলেও মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব নুরুল আমিন এর নির্দেষে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের এক বিশেষ ও দুঃসাহসিক অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ এক কুখ্যাত মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্যের আলোকে এই অভিযানটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালিত হয়। মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাদিম হায়দার চৌধুরীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও সুনিপুণ নির্দেশনায় এই মাদকবিরোধী অভিযানের ছক কষা হয়। মাঠপর্যায়ে এই অভিযানের সার্বিক নেতৃত্ব প্রদান করেন জোরারগঞ্জ থানার সুযোগ্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল হালিম। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার নির্দেশক্রমে উপ-পরিদর্শক হান্নান আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস ও প্রশিক্ষিত দল বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় অবস্থান নেয়। অভিযানিক দলটি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত পূর্ব হিঙ্গুলী এলাকায় অবস্থিত হাজী নান্না বিরিয়ানী রেষ্টুরেন্টের সামনের পাকা রাস্তায় গোপনে ওঁৎ পেতে থাকে। কাঙ্ক্ষিত সন্দেহভাজন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হওয়ামাত্রই পুলিশ সদস্যরা চারপাশ থেকে তাকে ঘিরে ফেলে। পরবর্তীতে অত্যন্ত দক্ষতায় তার দেহ ও সাথে থাকা জিনিসপত্র তল্লাশি করে ১ কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ওই মাদক ব্যবসায়ীর নাম রহিম উল্ল্যাহ রনি, যার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। সে ছত্তরুয়া এলাকার সরকার তালুকের মৃত মোহাম্মদ উল্লাহর পুত্র বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মতে, এই গ্রেফতারের ফলে স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে দৃঢ়তার সাথে জানানো হয়েছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে এবং যুবসমাজকে অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচাতে তাদের এই ধারাবাহিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুলিশের এমন সাফল্যে স্থানীয় জনমনে ব্যাপক স্বস্তি ফিরে এসেছে।

