x

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

Logo

Tenolent

One platform for all types theme

Download thousand of templates and start your business.

[tenolentSC] / results=[3] / label=[latest] / type=[headermagazine]

ইরানের আকাশসীমা বন্ধ থাকার পরও কীভাবে বিদেশ গেলেন আরাঘচি?

আকাশসীমা বন্ধ, তবুও ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জেনেভা সফর! কীভাবে সম্ভব হলো এই কূটনীতিক মিশন? ভেতরের গল্প জানতে পড়ুন।
প্রকাশঃ
অ+ অ-
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আব্বাস আরাঘচি

ইসরায়েলি আক্রমণের পর ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের তীব্রতার মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির জেনেভা সফর ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। বন্ধ আকাশসীমার নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে দেশের বাইরে গেলেন, এ প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। জেনেভায় তিনি তিনটি ইউরোপীয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধির সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। সংঘাত শুরুর পর এটিই তাঁর প্রথম ইরান ত্যাগের ঘটনা।

আরাঘচির এই সফরের পর থেকেই আলোচনা চলছে, কীভাবে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারলেন যখন ইরানের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ একটি পদক্ষেপ, যা বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থাকে জানানো হয়।

সাধারণত, বিমান চলাচলের জন্য আকাশসীমা বন্ধ থাকলেও প্রয়োজন ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ট্রানজিট, অবতরণ, ওভারফ্লাইট বা অন্য যেকোনো ধরনের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সাধারণত সরকারি বিমান ব্যবহার করেন, যা ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের মালিকানাধীন এবং বাণিজ্যিক বা যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে বিবেচিত হয় না।

যখন কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিশনে যান বা বিদেশ ভ্রমণ করেন, তখন জরুরি ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট বিমান করিডোর খোলা হয় যাতে মন্ত্রীর বিমানটি যাত্রা করতে পারে। বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এটি সম্ভব যে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি এমনভাবে পথ বেছে নিয়েছিল যা বিমানটিকে ইরানের আকাশে সবচেয়ে কম সময়ের জন্য রাখে এবং যত দ্রুত সম্ভব 'বেশি ঝুঁকিপূর্ণ' এলাকা থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।

এছাড়াও, সীমান্ত ত্যাগ করার আগে এই বিমানটিকে যুদ্ধবিমান দিয়ে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল, এমন ধারণাও অমূলক নয়। গত বছর ইরান-ইসরায়েল সামরিক সংঘর্ষের পর, কাতারে সরকারি সফরের সময় ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানকে বহনকারী বিমানকেও যুদ্ধবিমান দিয়ে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।

যদি কোনো কারণে দেশের আকাশে বিমান উড্ডয়ন একেবারেই নিরাপদ মনে না হয়, তবে এটিও সম্ভব যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থলসীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশী কোনো দেশে প্রবেশ করেছেন এবং সেখান থেকে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানে তাঁর গন্তব্যের দিকে রওনা হয়েছেন।

সরকারের রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন, যাকে যুদ্ধের সময়ও শারীরিক আক্রমণ বা সামরিক হুমকি থেকে মুক্ত রাখা হয়। এই প্রেক্ষাপটে, তাঁর জেনেভা সফর এবং আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তাঁর ভ্রমণ একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Delete Comment?

Are you sure you want to permanently delete this comment?

User
OR
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন